Logo

Netaji lovers has been corned for last 70 years : may be Government band Netaji lovers as mad

Netaji lovers has been corned for last 70 years : may be Government band Netaji lovers as  mad

Be united to know the truth !

█►আবার উদয় হলো সেই “অ্যানেট্টা ব্রিজেট্টের !!
দীর্ঘদিন ধরে এ পর্য্যন্ত এটাই দেখা গেছে, যে, যখনি নেতাজী-রহস্য সংক্রান্ত চক্রান্ত-বিরোধী কোনো অভিযান তার উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে চলে,
▬ ঠিক তখনি ভারতের সরকারী-ভাগ্যাকাশে উদয় হয় এই Unwanted অ্যানেট্টা ব্রিজেট্টের!
█(01)► “সুভাষ বিরোধী চক্রান্তকারীদের দল”, –
“আজাদ-হিন্দের বিপুল অর্থ-ভান্ডার লুন্ঠনকারীর দল”- আর
“লোভী শয়তান ভ্রষ্টাচারী বসু-পরিবার”
▬ এই তিন গোষ্ঠির মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমঝোতায় ও লেন-দেনের বোঝাপড়ায়
▬ ভারত-সরকারের ত্রাণকর্ত্রী স্বরুপা এই জন্মসিদ্ধা জারজ কন্যার বিরাট ভুমিকা সর্বদাই যেন থেকে যায়।
█(02)►’কর্নেল পী. ব্রিজেট্টের ঔরসজাত অযাচিত-কন্যা’ ও “এককালীন জার্মান-গণিকা ফ্রাউলীন এমিলিয়ে শেঙ্কেল”-এর পালিতা-কন্যা এই লুন্ঠনকারিণীর একজন ছেলে হিসাবে জন্ম হয়েছিল ১৯৪১-এর এপ্রিল মাসে।
█(03)► “গদ্দার প্যাটেলে”র শঠতা ও সুভাষের প্রতি প্রতিহিংসায়, ▬ সর্বপ্রথম আঠ বছরের একজন পুত্র [8 years SON, Male Child] রূপে ব্যানারস থেকে প্রকাশিত ২২-শে এপ্রিল ১৯৪৯-এর সন্মর্গ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল বর্তমানের এই অ্যানেট্টা ব্রিজেট্টের জন্ম বৃত্তান্ত।
►সেই অনুযায়ী সেই পুত্রের জন্ম ছিল এপ্রিল ১৯৪১-শে।
►তাহলে নেতাজীকে “জার্মান ইহুদি ক্যাথলিক গণিকা, কসাই-কন্যা ফ্রাউলীন এমিলিয়ে শেঙ্কেলে”র সাথে সম্ভোগে লিপ্ত হতে হয়েছিল ১৯৪০-এর মে-জুন মাসে ।
►কিন্তু নেতাজী তো ১৯৩৯ থেকে ১৯৪১-এর জানুয়ারীর ১৬ তারিখ পর্য্যন্ত ভারতেই ছিলেন এবং বেশির ভাগ সময় বন্দী ছিলেন বৃটিশের কারাগারে।
►তাহলে কি নেতাজী কোনো বিশেষ জাদুবিদ্যা-কলায় পারদর্শী ছিলেন যে, বৃটিশের বন্দী অবস্থায় থেকেও জার্মানীতে পৌঁছে সেখানে “জার্মান ইহুদি ক্যাথলিক গণিকা, কসাই-কন্যা ফ্রাউলীন এমিলিয়ে শেঙ্কেলে”র সাথে সম্ভোগে লিপ্ত হয়েছিলেন ?
█(04)► নেহেরু কিন্তু কাউকে তোয়াক্কা না করেই বিদেশের কোনো এক অনাথালায় থেকে একটি ছেলেকে এনে নিজের সরকারী বাসভবনে রাখলেন। … ৭৫ হাজার কোটি টাকা আর ৫ মেট্রিক টন সোনার অধিকারী করতে নেহেরুরু জন্য সেটা অবশ্য করণীয়ই ছিল । … কিন্তু সমস্যা দেখা দিল যখন অনেক ডাক্তারীর মাজা-ঘষার পরেও ছেলেটির গাত্রবর্ণ কৃষ্ণাঙ্গ নিগ্রোর মতনই থেকে গেল! … ছেলেটিকে তাই শেষে তাড়িয়ে দেওয়া হলো ।
█(05)► নেহেরু হাল ছাড়লেন না। … ইতিমধ্যে ৩১-শে অক্টোবর ১৮৭৫-এ জন্ম নেওয়া “গদ্দার প্যাটেল” পটল তুললেন ১৫-ই ডিসেম্বর ১৯৫০-শে । সমস্থ দাযিত্ব এসে পড়ল একা নেহেরুর উপর।
►তবে ততদিনে ৬-ই সেপ্টেম্বর ১৮৮৯-এ জন্ম নেওয়া “শরত চন্দ্র বসু”ও বেগতিক দেখে পৃথিবী ছেড়ে পগার পার দিয়েছেন ২০-শে ফেব্রুয়ারী ১৯৫০-এ।
►সুতরাং ঝামেলার বা বাধার কিছু তখন ছিল না ।
►তাই সুযোগ বুঝে নেহেরু তখন পরে, ১৯৫১-র মার্চ-এপ্রিলে সারা ভারতের সমস্থ পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানালেন,
“নেতাজী একজন জার্মান মহিলার সাথে অবৈবাহিক যৌন সম্পর্খে আসায় একটি কন্যার জন্ম দিয়েছেন, যার বয়স আঠ বছর”।
কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা সেই বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিল।
সেই থেকে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ মালা-মাল হয়ে চলেছে !!!
►মানে গত দু বছরের প্রচেষ্টায় ‘প্যাটেল-নেহেরু’ মিলে তাদের ভেলকি-বাজীর কারখানায় ▬ সেই দু-বছর আগেকার ছেলেটির বয়স ৮ বছরকে অপরিবর্তিত রেখেই লিঙ্গ-পরিবর্তন করে ফের ৮ বছরেরই কন্যা-সন্তানে রুপান্তরিত করে ফেলেছেন!
█(06)► অত:পর প্রচেষ্টা চলতে লাগলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিদেশে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে, শেষে এককালীন জার্মান-গণিকা ফ্রাউলীন এমিলিয়ে শেঙ্কেল”-এর পালিতা আনাথ-কন্যা “অ্যানেট্টা ব্রিজেট্টে”-কেই সিলেক্ট করা হলো, তার একান্ত অনুরোধে।
►অনেকরখম প্রযুক্তিবিদ্যার প্রয়োগে ও প্রয়োজনীয় সার্জারির পরে, – সুদীর্ঘ দশ বছর বাদে শেষে ১৯৬০-এর আগস্ট মাসে নেহেরু সেই ২০ বছরের মেয়েটিকে এনে নিজের সরকারী বাসভবনে রেখে ভারতীয় আচার-ব্যবহারে রপ্ত করে ২-রা জানুয়ারী ১৯৬১-তে জনসমক্ষে উপস্থিত করলেন ঘোষিত আঠেরো বছরের নেতাজীর অবৈবাহিক যৌনাচার-প্রসূত কন্যা রূপে ।
█(07)► প্রতিবাদের ঝড় উঠল পার্লামেন্টে। এস. এন ব্যানার্জী অ্যানেট্টার পাসপোর্টের প্রতিলিপি হাতে নিয়ে পার্লামেন্টে হৈ-হুল্লোর মাচাতে শুরু করলেন, । তিন মাসের গর্ভধারণে কি করে নেহেরু নেতাজীর বাচ্চা তৈরী করে ফেললেন ?
►… স্পিকার ওনাকে চুপ করিয়ে অনেক বোঝাবার চেষ্টা করলেন। বললেন:-
“নেতাজীর দ্বারা সবই সম্ভব!”
►কিন্তু এই সামান্য কথাটা এস. এন. ব্যানার্জীর মাথায় না ঢোকায়, তিনি খেপে গিয়ে আরো চেঁচাতে শুরু করলেন ।
শেষে স্পিকারের আদেশে সভা ভন্ডুল করে দেওয়া হলো !!!
█(08)►”অ্যানেট্টা ব্রিজেট্টে”কে নেহেরু যখন প্রথম ভারতের জনতার সামনে প্রদর্শন করেন সেই ১৯৬১-র ২-রা ফেব্রুয়ারী, ▬ তখন তার পাসপোর্ট এ পিতার নাম এর স্থানে লেখা ছিল “Col . P . Bridgette” । কিন্তু কে এই “পী. ব্রিজেট্টে” ?
►জানা গেছিল যে, এই “কর্নেল পি ব্রিজেট্টে” ছিলেন সুইডিশ এবং তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মারা যান |
►ভিন্ন মতে আবার তিনি জার্মান মিলিটারীর হাতে ধরা পড়ে রাশিয়ার গুপ্তচর বৃত্তিতে অভিযুক্ত হয়ে কোর্ট-মার্শালে গুলি খেয়ে মারা যান ।
►“জার্মান ইহুদি ক্যাথলিক গণিকা, – কসাই-কন্যা ফ্রাউলীন এমিলিয়ে শেঙ্কেলে”র একজন ভালো খদ্দের ছিলেন ওই কর্নেল ব্রিজেট্টে, এরখমটাও জানা যায় – যিনি সম্ভবত: এমিলিয়ের একজন প্রেমিকা হিসাবেও পরিচিত ছিলেন । এমিলিয়ের এক বান্ধবী-আত্মীয়ের গর্ভে অ্যানেট্টার জন্ম হয় । জন্মের আগেই কর্নেল পী. ব্রিজেট্টে মেয়ের নামকরণ করে যান ‘অ্যানেট্টা’ হিসাবে।
►কিন্তু, প্রশ্ন, এর পর তার শিশু কন্যা কি করে Emilie র শিশু কন্যা হলো ?
— সেটাও রহস্য বা গবেষণার বিষয় !
… … … … … … …
█(09)► বাকি আরো অনেক কিছু জানতে “আনজান বান্দা”র অ্যালবামে যেতে হবে :——
>>>
▬(B)► EX11Hn : MARRIAGE(???) of Netaji !!!
https://www.facebook.com/AnjaanBandaa/media_set…
▬(C)► EX11En: “The Main Camp of Anti-Subhasism”
https://www.facebook.com/AnjaanBandaa/media_set…
▬(D)► EX11Bn: সুভাষ-বিরোধী চক্রান্তে
https://www.facebook.com/AnjaanBandaa/media_set…
▬(A)► Post No: EX26 -09
Topic: ❝I’D TO VISUALISE THE FUTURE IN TERMS OF A CELIBATE ~ Netaji❞
Album: “EX26; “TRUTHs of SUBHAS & their EXPOSITIONS”

… … ~ Anjaan Bandaa
*************************************************************************
Anal Hajra >>>
Being the ‘PUPPET’ of the Government of India, all the indirect family members of Netaji Subhas Chandra Bose were/are engaged to spread the gospel-story of marriage out due to political power/artificial fame/ money.
The Government of India used to give thhe uge amount of money to all the indirect family members of Netaji Subhas Chandra Bose for that. And, simultaneously, the huge amount of money was also given to Emilie Schenkl.
Now, so called FAKE daughter——Anetta Brigitte Schenkl Pfaff is also getting the same.
Most of us believe that Netaji Subhas Chandra Bose got married Emilie Schenkl (?) secretly!
The so called FAKE daughter——Anetta Brigitte Schenkl Pfaff used to prefer keep herself silent.
For the first time, now, the so-called FAKE daughter——Anetta Brigitte Schenkl Pfaff ((29 November 1942—) is demanding for declassification of all the classified files on Netaji Subhas Chandra Bose.
If NARENDRA MODI declassify all the classified files on the disappearance mystery of Netaji Subhas Chandra Bose, Marriage-Mystery, INA, INA FUND-LOOT etc then the FAKE daughter——Anetta Brigitte Schenkl Pfaff [(Emilie Schenkl ?) + Col. P. Brigitte?)] will not be able to address(CALL) Netaji Subhas Chandra Bose as her father again and again.

Facebook Comments



Related Articles

No comments

Write a comment
No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write a Comment

Your e-mail address will not be published.
Required fields are marked*